পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের লোয়ার দির জেলায় এক অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষককে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশকে ৭২ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে নিহতের পরিবার। অন্যথায় জেলা পুলিশ সুপার (ডিপিও) ও ডেপুটি কমিশনারের কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে তারা।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা যায়, নিহত শিক্ষকের নাম মুহাম্মদ শিরিন। জেলার বাগ দুশখেল গ্রামে বসবাস করতেন তিনি। মাগরিবের নামাজ আদায় করে মসজিদ থেকে বাড়ি ফেরার পথে সশস্ত্র দুর্বৃত্তরা তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।
বৃহস্পতিবার সংবাদমাধ্যম ডনের কাছে নিহতের ভাতিজা খুরশিদ আলম ও আসিম রশিদসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা জানান, মুহাম্মদ শিরিন পেশায় একজন স্কুলশিক্ষক ছিলেন। চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার পর তিনি নিজ গ্রামেই বসবাস করছিলেন।
পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেন, এর আগে ২০১৯ সালের ২৪ ডিসেম্বর দুর্বৃত্তরা শিরিনের আরেক ভাতিজা সিদ্দিকুল্লাহ ও তাঁর স্ত্রীকে হত্যা করে। ওই জোড়া হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের এখনো আইনের আওতায় আনতে পারেনি পুলিশ।
তাঁদের দাবি, আগের হত্যাকাণ্ডের আসামিদের গ্রেপ্তার করা হলে সর্বশেষ হত্যাকাণ্ডটি এড়ানো সম্ভব হতো। আগের ঘটনার বিচার না হওয়ায় অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বলেও অভিযোগ করেন তাঁরা।
পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে মুহাম্মদ শিরিন হত্যায় জড়িতদের গ্রেপ্তার করতে হবে। অন্যথায় লোয়ার দিরের জেলা পুলিশ সুপার ও ডেপুটি কমিশনারের কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ শুরু করবেন তাঁরা।
এ ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগ ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। তবে হত্যাকাণ্ডের কারণ এবং জড়িতদের পরিচয় সম্পর্কে পুলিশের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।
আরও পড়ুন:






