সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদের ৬১তম অধিবেশন চলাকালে আওয়ামী লীগ সমর্থক ও নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন। জাতিসংঘ কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত এই বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীরা বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
বিক্ষোভকারীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং দাবি করেন, দেশে আওয়ামী লীগের ওপর নিষেধাজ্ঞা, সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সংকুচিত করা হচ্ছে। তারা অভিযোগ করেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে দেশে রাজনৈতিক কর্মী, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবীসহ বিভিন্ন পেশাজীবীদের ওপর মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা বেড়েছে।
সমাবেশে বক্তারা আরও বলেন, বিনা বিচারে গ্রেপ্তার, হেফাজতে নির্যাতন এবং আইনগত প্রক্রিয়া উপেক্ষার মতো ঘটনা ঘটছে। তারা দাবি করেন, দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো—বিশেষ করে আওয়ামী লীগ ও অন্যান্য ধর্মনিরপেক্ষ দল—নির্বাচনী প্রক্রিয়া থেকে কার্যত বাদ পড়েছে।
বক্তারা গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনকে “বিভাজনমূলক” ও “অবিশ্বস্ত” আখ্যা দিয়ে তা পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান।
মানবাধিকার ও সুশীল সমাজের বিভিন্ন সংগঠনের সমন্বয়ে এই বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়। তারা বাংলাদেশের সংবিধানিক অধিকার, গণতন্ত্র ও আইনের শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবি জানান।
উল্লেখ্য, এই বিক্ষোভটি এমন সময় অনুষ্ঠিত হয় যখন জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের অধিবেশনে বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:









