দুই মাসে পাকিস্তানের বাণিজ্য ঘাটতি বেড়েছে ১৮ শতাংশ
ঢাকা এজ ডেস্ক
প্রকাশিত : ১১:৪৭ পিএম, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ শুক্রবার
চলতি অর্থবছর ২০২৬-২৭-এর প্রথম দুই মাসে (জুলাই-আগস্ট) পাকিস্তানের বাণিজ্য ঘাটতি ১৮ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে ৭ দশমিক ১২ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত পাকিস্তান ব্যুরো অব স্ট্যাটিস্টিকসের (পিবিএস) তথ্য থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
পিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, গত অর্থবছরের একই সময়ে দেশটির বাণিজ্য ঘাটতি ছিল ৬ দশমিক ০৩ বিলিয়ন ডলার। মূলত আমদানি দ্রুত বাড়ায় বাণিজ্য ঘাটতি বেড়েছে। জুলাই-আগস্ট সময়ে পাকিস্তানের আমদানি ১৩ শতাংশ বেড়ে ১২ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ১১ দশমিক ১৩ বিলিয়ন ডলার।
অন্যদিকে, একই সময়ে দেশটির রপ্তানি ৭ শতাংশ বেড়ে ৫ দশমিক ৪৬ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৫ দশমিক ১০ বিলিয়ন ডলার। তবে মাসভিত্তিক হিসাবে আগস্টে পাকিস্তানের বাণিজ্য ঘাটতি কমেছে। জুলাইয়ের ৩ দশমিক ৯৫ বিলিয়ন ডলার থেকে আগস্টে ঘাটতি ১৯ দশমিক ৭ শতাংশ কমে ৩ দশমিক ১৭ বিলিয়ন ডলারে নেমেছে।
আগস্টে আমদানি ১৭ দশমিক ৭ শতাংশ কমে ৫ দশমিক ৬৮ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। জুলাইয়ে আমদানির পরিমাণ ছিল ৬ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন ডলার। একই সময়ে রপ্তানি ১৫ শতাংশ কমে ২ দশমিক ৫১ বিলিয়ন ডলারে নেমেছে, যা জুলাইয়ে ছিল ২ দশমিক ৯৫ বিলিয়ন ডলার। তবে মাসিক হিসাবে ঘাটতি কমলেও গত বছরের আগস্টের তুলনায় তা ১০ দশমিক ৪ শতাংশ বেশি। ২০২৫ সালের আগস্টে পাকিস্তানের বাণিজ্য ঘাটতি ছিল ২ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন ডলার।
এদিকে, আগস্টে রপ্তানি গত বছরের একই মাসের ২ দশমিক ৪২ বিলিয়ন ডলার থেকে ৩ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়েছে। বিপরীতে, আমদানি ৫ দশমিক ২৯ বিলিয়ন ডলার থেকে ৭ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়েছে। এতে পাকিস্তানের বৈদেশিক বাণিজ্যের ভারসাম্যের ওপর আমদানির চাপ অব্যাহত থাকার বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে।
চলমান অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচির আওতায় পাকিস্তান বৈদেশিক হিসাবের অবস্থান শক্তিশালী করার চেষ্টা করছে। এর মধ্যেই বাণিজ্য ঘাটতি বাড়ার এ প্রবণতা দেশটির বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য নিয়ে নতুন চাপ তৈরি করতে পারে।
