Deprecated: str_replace(): Passing null to parameter #3 ($subject) of type array|string is deprecated in /home/ph4m74q3/public_html/common/config.php on line 186
গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে ইউরোপকে ট্রাম্পের কড়া হুমকি

গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে ইউরোপকে ট্রাম্পের কড়া হুমকি

ঢাকা এজ ডেস্ক

প্রকাশিত : ১১:৪৪ পিএম, ২১ জানুয়ারি ২০২৬ বুধবার

গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে ইউরোপের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। দীর্ঘদিনের মিত্ররা এতে যথেষ্ট অখুশি। তবে ট্রাম্প মনে করিয়ে দিয়েছেন, মিত্রদের যারা থাকবে তাদের প্রশংসা করবেন, বিরোধীতাকারীদের ‘বাজেভাবে’ মনে রাখবেন। খবর আল জাজিরার

বুধবার (২১ জানুয়ারি) সুইজারল্যান্ডের ডাভোসে অনুষ্ঠিত বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে দেওয়া দীর্ঘ ভাষণে ট্রাম্প ইউরোপীয় মিত্রদের বারবার কটাক্ষ করেন। ট্রাম্প বলেন, ন্যাটো যেন যুক্তরাষ্ট্রের এই সম্প্রসারণবাদী পরিকল্পনার পথে বাধা না হয়ে দাঁড়ায়।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি গ্রিনল্যান্ডের ‘অধিকার, মালিকানা ও নাম’ যুক্তরাষ্ট্রের অংশ করতে চান। তবে এ লক্ষ্য অর্জনে তিনি সামরিক শক্তি ব্যবহার করবেন না বলে দাবি করেছেন।

ট্রাম্প এসময় ন্যাটোকে আহ্বান জানান, ডেনমার্কের কাছ থেকে গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের হাতে তুলে দিতে। তবে সম্মতি জানাতে অস্বীকার করা হলে কড়া পদক্ষেপের হুমকিও দেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইউরোপীয় মিত্রদের নির্দেশ করে বলেছেন, জোটের সদস্যরা চাইলে ‘হ্যাঁ’ বলতে পারে। তাহলে যুক্তরাষ্ট্র কৃতজ্ঞ থাকবে। আর যদি ‘না’ বলে, ‘তাহলে আমরা তা মনে রাখব।’

ভাষণে ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং অর্থনীতি চাঙা করার প্রচেষ্টার কথা বলেন। তবে তার দীর্ঘ বক্তৃতার বড় অংশজুড়ে ছিল বিভিন্ন দেশের প্রতি অভিযোগ ও অসন্তোষ প্রকাশ।

তবে ইউরোপীয় নেতারা ট্রাম্পের বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লায়েন বলেন, গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের আটটি দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের ট্রাম্পের পরিকল্পনা একটি ‘ভুল সিদ্ধান্ত।’

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেছেন, প্রয়োজন হলে ইউরোপীয় ইউনিয়ন তাদের সবচেয়ে শক্তিশালী অর্থনৈতিক অস্ত্র ব্যবহার করে পাল্টা ব্যবস্থা নিতে পারে। তিনি এ অস্ত্রকে আখ্যা দেন বাণিজ্যিক ‘বাজুকা’ হিসেবে।

ন্যাটোর সাবেক মহাসচিব ও ডেনমার্কের সাবেক প্রধানমন্ত্রী আন্দার্স ফগ রাসমুসেন বিসিবি’কে বলেছেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে তোষামোদ করার সময় শেষ। এখন ইউরোপের কাছ থেকে আরও কঠোর প্রতিক্রিয়া প্রত্যাশা করা যায়। এখন সময় এসেছে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে দৃঢ়ভাবে দাঁড়ানোর।’