এলপি গ্যাস ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদের সঙ্গে বৈঠক শেষে ধর্মঘট প্রত্যাহারের ঘোষণা আসে।
বৃহস্পতিবার বিইআরসি কার্যালয়ে হওয়া বৈঠক শেষে ধর্মঘট প্রত্যাহারের ঘোষণা আসে। ফলে আজ বৃহস্পতিবার থেকেই এলপি গ্যাস বিক্রি শুরু হয়েছে।
গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি সেলিম খান বলেন, এলপি গ্যাসের দোকানে ভোক্তা অধিকারের অভিযান বন্ধ করলেই ধর্মঘট প্রত্যাহার হবে। আর ভোক্তা পর্যায়ে এলপিজির ১২কেজি সিলিন্ডারের দাম ১৫০০ টাকা নির্ধারণেরও দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
এদিকে দেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) ক্রমবর্ধমান সংকট ও মূল্য অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে আমদানি ও স্থানীয় উৎপাদন পর্যায়ে ভ্যাট ও ট্যাক্স পুনর্নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এলপি গ্যাস আমদানির ক্ষেত্রে ব্যাংকঋণ ও এলসি (ঋণপত্র) খোলার প্রক্রিয়া সহজীকরণেরও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় এলপি গ্যাসকে ‘গ্রিনফুয়েল’ হিসেবে বিবেচনা করে কর কাঠামো পুনর্বিন্যাসের বিষয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়েছে চিঠি দিয়েছেন। একই দিনে বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহে এলপিজি আমদানির জন্য ঋণপ্রাপ্তি ও এলসি খোলার আবেদনসমূহ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিষ্পত্তির জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছে চিঠি দিয়েছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।
বুধবার রাতে দেশজুড়ে অভিযান ও জরিমানার প্রেক্ষাপটে সিলিন্ডার সরবরাহ ও বিক্রি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছিল সংগঠনটি। বৃহস্পতিবার থেকে তারা এ কর্মসূচি পালনের অংশ হিসেবে দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত সব কম্পানির প্লান্ট থেকে এলপিজি উত্তোলনও বন্ধ রাখার কথা বলেছিল।
আরও পড়ুন:









